নাটোরের গুরুদাসপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১৪ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের কুমারখালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সরেজমিনে জানা যায়, কুমারখালি মৌজার ৮১৬ ও ৮১৭ দাগে ১৬ শতাংশ জমি প্রায় ৩০ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন স্থানীয় ময়নাল মন্ডল। বিবাদমান ওই জায়গায় বাঁশের বেড়া দিচ্ছিলেন তিনি। এসময় প্রতিবেশী আশকান আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে হাকিম উদ্দিন ও নজরুল ইসলাম চাকু, হাসুয়া, কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে ময়নাল মন্ডলের পেট ও পাজরে গুরুতর জখম হন। তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতেও বাঁধা দেয় প্রতিপক্ষরা।
এসময় ময়নালের ছেলে চ্যানেল এস এর সাংবাদিক সোহেল রানাসহ ১০ জন গুরুতর আহত হন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আশঙ্কাজনক অবস্থায়
ময়নালকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) চিকিৎসাধীন নেওয়া হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৪ জন গুরুতর আহত হন।
আহতরা হলেন- ময়নাল মন্ডল, নাজিম মন্ডল, জাহিদুল ইসলাম, শরিফা খাতুন, সুলতান আলী, ডাবলু, রাব্বি, জাহানারা, সনে খাতুন ও সোহেল রানা। তাদের মধ্যে ময়নাল, জাহিদুল, সুলতান, সোহেল ও ডাবলুকে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে প্রতিপক্ষের সাইদুল ইসলাম, রফিক ও রঞ্জু আহত হন। এদের মধ্যে সাইদুলের মাথায় চারটি সেলাই দেয়া হয়েছে। হামলায় নেতৃত্বদানকারী হাকিম উদ্দিনও আহত হয়েছেন। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
তবে স্থানীয় শামসুল প্রামাণিক জানান, হাকিমের পূর্বপুরুষেরা আগে থেকেই কলহপ্রিয়। বিক্রিত জমিজমা নিয়ে কলহ করা ঠিক না। বিষয়টি নিয়ে মিমাংসার
কথা হচ্ছিলো।
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন- পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। উভয়পক্ষের বিরুদ্ধে মামলা ও আইনি
প্রক্রিয়া চলমান আছে।
শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের কুমারখালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সরেজমিনে জানা যায়, কুমারখালি মৌজার ৮১৬ ও ৮১৭ দাগে ১৬ শতাংশ জমি প্রায় ৩০ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন স্থানীয় ময়নাল মন্ডল। বিবাদমান ওই জায়গায় বাঁশের বেড়া দিচ্ছিলেন তিনি। এসময় প্রতিবেশী আশকান আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে হাকিম উদ্দিন ও নজরুল ইসলাম চাকু, হাসুয়া, কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে ময়নাল মন্ডলের পেট ও পাজরে গুরুতর জখম হন। তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতেও বাঁধা দেয় প্রতিপক্ষরা।
এসময় ময়নালের ছেলে চ্যানেল এস এর সাংবাদিক সোহেল রানাসহ ১০ জন গুরুতর আহত হন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আশঙ্কাজনক অবস্থায়
ময়নালকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) চিকিৎসাধীন নেওয়া হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৪ জন গুরুতর আহত হন।
আহতরা হলেন- ময়নাল মন্ডল, নাজিম মন্ডল, জাহিদুল ইসলাম, শরিফা খাতুন, সুলতান আলী, ডাবলু, রাব্বি, জাহানারা, সনে খাতুন ও সোহেল রানা। তাদের মধ্যে ময়নাল, জাহিদুল, সুলতান, সোহেল ও ডাবলুকে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে প্রতিপক্ষের সাইদুল ইসলাম, রফিক ও রঞ্জু আহত হন। এদের মধ্যে সাইদুলের মাথায় চারটি সেলাই দেয়া হয়েছে। হামলায় নেতৃত্বদানকারী হাকিম উদ্দিনও আহত হয়েছেন। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
তবে স্থানীয় শামসুল প্রামাণিক জানান, হাকিমের পূর্বপুরুষেরা আগে থেকেই কলহপ্রিয়। বিক্রিত জমিজমা নিয়ে কলহ করা ঠিক না। বিষয়টি নিয়ে মিমাংসার
কথা হচ্ছিলো।
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন- পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। উভয়পক্ষের বিরুদ্ধে মামলা ও আইনি
প্রক্রিয়া চলমান আছে।